জামায়াতে ইসলামী কি জাতীর সাথে মসকারা করতেছে!

স্টাফ, রিপোর্টার সাইফুল ইসলাম
বিশিষ্ট ইসলামী বক্তা ও চরমোনাই পীরের মুরিদ।
মুফতি হাবিবুর রহমান মিসবাহ তার ফেসবুক পেইজে এমন বক্তব্য করেন আগামীকাল মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষদিন অথচ এখনও আসন সমঝোতার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কেন এলো না, পত্রিকায় কারা উদ্ভট নিউজ করালো, কারা একক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপারটাকে জটিল করে তুললো? কাদের হটকারিতা ও কুটকৌশলে দলগুলিকে খাদের কিনারে এনে দাঁড় করালো? আরও আগেই এসবের উত্তর জাতিকে জানানো দরকার ছিল।
২০০ আসন নিজেরা দাবী করে পরপর কয়েকটা গুজব নিউজ করিয়েছে তারা। বলেছে— ২৭০ আসন চায় শরীকরা, আবার লিখেছে ১৫০ আসন চায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ! সমঝোতায় থাকছে না তারা, ৩০-৩৫ আসন ছেড়ে জোট হচ্ছে নতুন দলের সঙ্গে!
এভাবেই চাপ সৃষ্টি করতে চেয়েছে বাকি দলগুলির প্রতি। কিন্তু সেটা বুমেরাং হতে দেখে খাদের কিনারে এসে নতুন স্ক্রিপ্টে কাজ শুরু!
বারবার বলা হয়েছে এটা কোনো জোট নয়, সবাই সমান। সবাই সবার পরিপূরক। কিন্তু নিউজ করানো হয়েছে তাদের নেতৃত্বে জোট, তাদের কাছে আসন চায়! তারা আসন দেবার কে আর তাদের কাছে অন্যরা চাইবে কেন? সমঝোতায় একটা নির্দিষ্ট দলের কাছে আসন চাওয়ার যৌক্তিকতাই তো নাই। আজব কাজ-কারবার। নিজেরা ২০০ আসন দাবী করে দোষ চাপিয়েছে অন্যান্যদের ওপর। সোশ্যাল মিডিয়ায় আলাপ এনেছে তারা ২০০ প্লাস আসনের হকদার!
ইসলামী আন্দোলনের একক নির্বাচনে জিতে আসা [সম্ভাব্য] আসনেও তারা প্রার্থী দাবি করে বসে আছে! অথচ ওসব আসনে তাদের সাংগঠনিক কাজও দুর্বল এবং বলার মতো কার্যক্রমও নাই।
আমি মনে করি—বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১৪০ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১০০ এনসিপি ১৮ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ১৭ খেলাফত মজলিস ১৫ এলডিপি-সহ অন্যান্য ১০
হাবিবুর রহমান মিছবাহ



