চীফ রিপোর্টার আজিজুল হক 

দেশ পরিচালনায় নীতিগত ও কৌশলগত সহায়তা জোরদার করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১০ জন উপদেষ্টা নিয়োগ দিয়েছেন। এদের মধ্যে পাঁচজন মন্ত্রীর পদমর্যাদায় এবং পাঁচজন প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় দায়িত্ব পালন করবেন।

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসন, অর্থনীতি, কূটনীতি, নিরাপত্তা ও প্রযুক্তি খাতে অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতেই এই উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

🟥 মন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা

১. মিজান আব্বাস উদ্দিন আহমেদ

২. নজরুল ইসলাম খান

৩. রফিকুল কবির বিজলী আহমেদ

৪. মো. ইসমাইল জাবিউল্লাহ

৫. ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর

🟥 প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা

১. হুমায়ুন কবির

২. ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলাম

৩. ড. জাফর রহমান

৪. ড. মাহদি আমিন

৫. রেহান আসিফ আসাদ

নিয়োগের প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন সরকার গঠনের পর নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে গতি আনতেই উপদেষ্টা পরিষদকে শক্তিশালী করা হয়েছে। প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ও পেশাগত দক্ষতার সমন্বয়ে এই দল সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশেষ করে অর্থনীতি, নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মতো স্পর্শকাতর খাতে বিশেষজ্ঞ অন্তর্ভুক্তি সরকারের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনার ইঙ্গিত বহন করে।

রাজনৈতিক বার্তা

এই নিয়োগকে অনেকেই রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা ও বিভিন্ন মহলের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন। মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সমমর্যাদায় উপদেষ্টা নিয়োগের মাধ্যমে সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণে অধিকতর প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তুলতে চায়—এমনটাই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

নতুন এই ১০ উপদেষ্টার কার্যক্রম ও দায়িত্ব বণ্টন আগামী দিনে সরকারের নীতিনির্ধারণী কর্মকাণ্ডে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়। প্রশাসনিক দক্ষতা ও রাজনৈতিক সমন্বয়ের মাধ্যমে সরকার তার লক্ষ্য বাস্তবায়নে কতটা সফল হয়—তা সময়ই বলে